লাইসেন্সড ও বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম

Gbazee — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বেটিং সঙ্গী যারা খেলাধুলাকে ভালোবাসেন

Gbazee শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষো খেলাধুলাপ্রেমীর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য জায়গা যেখানে ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে জ্যাকপট পর্যন্ত সব কিছু এক ছাদের নিচে পাওয়া যায়।

৫০ লাখ+
নিবন্ধিত সদস্য
৩০+
খেলার বিভাগ
৯৮%
পেআউট রেট
২৪/৭
বাংলা সাপোর্ট

আমাদের মিশন

বাংলাদেশের প্রতিটি খেলাপ্রেমীর কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও উত্তেজনাপূর্ণ বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া

Gbazee বিশ্বাস করে যে বেটিং বিনোদনের একটি বৈধ অংশ — তবে সেটা হতে হবে সচেতনভাবে, নির্ধারিত বাজেটে এবং একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে। আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকেন আমাদের সদস্যরা।

🏆

বাংলাদেশের #১ বেটিং প্ল্যাটফর্ম

কেন লক্ষো মানুষ Gbazee বেছে নেন

আমাদের প্ল্যাটফর্মের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা আমাদের আলাদা করে তোলে।

সম্পূর্ণ নিরাপদ ও লাইসেন্সড

Gbazee আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। 256-bit SSL এনক্রিপশন, KYC যাচাই এবং আলাদা ফান্ড সংরক্ষণ — আপনার প্রতিটি টাকা ও তথ্য সুরক্ষিত। স্বাধীন অডিটরদের দ্বারা নিয়মিত পরীক্ষিত RNG সিস্টেম নিশ্চিত করে যে ফলাফলে কোনো কারচুপি নেই।

মোবাইল-ফার্স্ট অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন — এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই Gbazee তৈরি। ছোট স্ক্রিনে সহজ নেভিগেশন, ৩G নেটওয়ার্কেও মসৃণ লাইভ বেটিং এবং দ্রুত লোডিং সময় — মোবাইলে খেলার অভিজ্ঞতাটাকেই আমরা সেরা করতে চেয়েছি।

তাৎক্ষণিক বিকাশ পেমেন্ট

বিকাশ, নগদ ও রকেটে ডিপোজিট ও উইথড্রাওয়াল মাত্র মিনিটের মধ্যে। কোনো মধ্যস্থতাকারী নেই, কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই। সর্বনিম্ন ৳১০০ দিয়ে শুরু করুন — যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে।

বাজারের সেরা অডস

Gbazee-তে ক্রিকেট ও ফুটবলে গড়ে বাজারের চেয়ে ৭–৯% বেশি অডস পাওয়া যায়। প্রতিদিন "অডস বুস্ট" অফারে নির্বাচিত ম্যাচে ১০–২০% অতিরিক্ত অডস পাওয়া সম্ভব। লাইভ অডস প্রতি সেকেন্ডে আপডেট হয়।

২৪/৭ বাংলা কাস্টমার সাপোর্ট

রাত ৩টায় সমস্যা হলেও Gbazee-র বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম সাড়া দেয়। লাইভ চ্যাট, ই-মেইল ও ফোনে সাপোর্ট পাওয়া যায়। গড় প্রতিক্রিয়া সময় ৩ মিনিটের কম — কারণ আমরা জানি জরুরি সময়ে দেরি করা উচিত নয়।

নিয়মিত বোনাস ও প্রমোশন

নতুন সদস্যরা ২০০% ওয়েলকাম বোনাস পান। পুরানো সদস্যদের জন্য সাপ্তাহিক রিলোড বোনাস, ক্যাশব্যাক অফার ও ভিআইপি পয়েন্ট সিস্টেম। বিশেষ দিন যেমন বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচে বিশেষ প্রমোশন চালু থাকে।

Gbazee-র যাত্রা

বাংলাদেশের খেলাধুলাপ্রেমীদের জন্য একটি নিরাপদ ও উত্তেজনাপূর্ণ বেটিং জায়গা তৈরির স্বপ্ন থেকেই Gbazee-র শুরু। ছোট একটি দল থেকে আজকের লক্ষো সদস্যের প্ল্যাটফর্ম — এই পথটা সহজ ছিল না।

এক নজরে Gbazee
প্রতিষ্ঠা২০১৯
সদর দপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
লাইসেন্সআন্তর্জাতিক গেমিং কমিশন
সক্রিয় সদস্য৫০ লাখ+
পেআউট সময়৩ মিনিটের মধ্যে
সাপোর্ট ভাষাবাংলা ও ইংরেজি

মাইলফলক

২০১৯
Gbazee-র যাত্রা শুরু
ক্রিকেট বেটিং দিয়ে শুরু। বাংলাদেশে মোবাইল-ফার্স্ট বেটিং প্ল্যাটফর্মের ধারণাটা তখনো নতুন। মাত্র তিনটি খেলা ও সীমিত মার্কেট নিয়ে প্রথম সংস্করণ লঞ্চ হয়।
২০২০
বিকাশ ইন্টিগ্রেশন ও দ্রুত বৃদ্ধি
বিকাশের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন চালু হওয়ার পর সদস্য সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে যায়। লাইভ বেটিং ফিচার যোগ হয় এবং ফুটবল বিভাগ চালু হয়।
২০২১
জ্যাকপট ও ক্যাসিনো বিভাগ লঞ্চ
স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি অনলাইন ক্যাসিনো ও প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট বিভাগ যোগ হয়। ২০০+ জ্যাকপট গেম নিয়ে বাংলাদেশে নতুন একটি অধ্যায় শুরু।
২০২২
১০ লাখ সদস্যের মাইলফলক
Gbazee-র সদস্য সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। নগদ ও রকেট পেমেন্ট যোগ হয়। ২৪/৭ বাংলা কাস্টমার সাপোর্ট শুরু হয়।
২০২৩
ই-স্পোর্টস ও নতুন মার্কেট
ই-স্পোর্টস বিভাগ চালু হয়। ম্যাচ অডস বিভাগে ৫০+ মার্কেট প্রতি ম্যাচে পাওয়া যায়। VIP প্রোগ্রাম লঞ্চ হয়।
২০২৬–২০২৬
৫০ লাখ সদস্য ও আরও সামনে
Gbazee আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেটিং কমিউনিটি। প্রতি মাসে নতুন ফিচার, উন্নত মোবাইল অ্যাপ এবং আরও বেশি স্থানীয় সদস্যদের সেবায় কাজ চলছে।

আমাদের মূল্যবোধ

Gbazee-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই চারটি মূলনীতি কাজ করে।

🔒
স্বচ্ছতা

Gbazee-র প্রতিটি নিয়ম, প্রতিটি বোনাসের শর্ত এবং প্রতিটি গেমের RTP তথ্য সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো জটিল শর্ত নেই — আপনি যা দেখবেন তাই পাবেন।

🤝
দায়িত্বশীলতা

Gbazee বিশ্বাস করে বিনোদন আর আসক্তির মধ্যে একটি স্পষ্ট রেখা আছে। সেজন্যই আমরা ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সেশন টাইম লিমিটের মতো সরঞ্জাম দিই — এবং সেগুলো ব্যবহারে উৎসাহিত করি।

⚡
উদ্ভাবন

বাংলাদেশের বেটিং বাজার দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। Gbazee সবসময় নতুন প্রযুক্তি, নতুন ফিচার এবং নতুন খেলার সুযোগ নিয়ে আসে। আমাদের টেক টিম প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্ম উন্নত করছে।

💜
কমিউনিটি

৫০ লাখ সদস্য মানে ৫০ লাখ গল্প। ঢাকার কেউ IPL-এ বেট করছেন, সিলেটের কেউ লাইভ ম্যাচ দেখছেন — এই কমিউনিটিটাই Gbazee-র সত্যিকারের শক্তি।

Gbazee কেন তৈরি হলো — এবং কীভাবে বাংলাদেশের বেটিং সংস্কৃতিকে বদলে দিচ্ছে

বছর দশেক আগেও বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বলতে মানুষ বুঝতেন বিদেশি ওয়েবসাইট, বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই, বিকাশে পেমেন্ট নেই এবং জেতার টাকা তুলতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। Gbazee এই অভিজ্ঞতাটা বদলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এসেছিল — এবং আজকে পাঁচ বছর পরে বলা যায়, সেটা অনেকটাই পেরেছে।

Gbazee-র প্রতিষ্ঠাতা দল ঢাকায় বসে একটা সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন: বাংলাদেশের একজন সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ কীভাবে সহজে, নিরাপদে এবং বাংলায় অনলাইন বেটিং করতে পারবেন? উত্তরটা সরল মনে হলেও বাস্তবায়ন করতে লেগেছিল কয়েক বছর এবং অনেক পরিশ্রম।

প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল পেমেন্ট। বাংলাদেশে তখন বিকাশ জনপ্রিয় হচ্ছে কিন্তু বেটিং প্ল্যাটফর্মে তার ব্যবহার অপ্রচলিত। Gbazee-র টিম বিকাশের সাথে কাজ করে একটি নিরাপদ ও তাৎক্ষণিক ইন্টিগ্রেশন তৈরি করেছে যেখানে ডিপোজিট ও উইথড্রাওয়াল মিনিটের মধ্যে হয়। আজকে নগদ ও রকেটেও একই সুবিধা পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ ছিল বিশ্বাসযোগ্যতা। অনলাইনে টাকা রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক। Gbazee এই বিশ্বাস অর্জন করেছে কয়েকটি পথে। প্রথমত, স্বাধীন অডিটর দিয়ে নিয়মিত RNG পরীক্ষা করিয়ে। দ্বিতীয়ত, সদস্যদের ফান্ড আলাদা অ্যাকাউন্টে রেখে। তৃতীয়ত, প্রতিটি পেআউটের রেকর্ড স্বচ্ছভাবে রেখে। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — লাখো সদস্যের বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে।

Gbazee-তে ক্রিকেট বেটিং বিশেষভাবে জনপ্রিয় কারণ এখানে বাংলাদেশের ম্যাচে সবচেয়ে বেশি মার্কেট পাওয়া যায়। একটি T20 ম্যাচে ৬০–৭০টি মার্কেট থাকে — ম্যাচ উইনার থেকে শুরু করে বল-বাই-বল পর্যন্ত। সিলেটের বেটারদের কথায়, "এতো বিকল্প আগে কোথাও পাইনি।" পরিসংখ্যান বলছে, Gbazee-তে প্রতি বাংলাদেশ ম্যাচে সদস্যদের অংশগ্রহণ অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে তিনগুণ বেশি।

ফুটবলেও Gbazee-র উপস্থিতি শক্তিশালী। Champions League রাতে বাংলাদেশে অনেকে জেগে থাকেন — এই মানুষগুলোর জন্য Gbazee রিয়েল-টাইম লাইভ অডস, দ্রুত বেট সেটেলমেন্ট এবং ৮০+ মার্কেট অফার করে। Real Madrid বনাম Barcelona ম্যাচে Gbazee-র সার্ভার সর্বোচ্চ ট্রাফিক সামলায় — এবং একটিবারও ডাউন হয়নি।

জ্যাকপট বিভাগটা অনেকের কাছে চমকের মতো ছিল। অনেকে জানতেন না যে বাংলাদেশ থেকেও কোটি টাকার জ্যাকপট গেম খেলা সম্ভব। Gbazee সেই সুযোগটা তৈরি করেছে — এবং ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭ কোটি টাকার বেশি জ্যাকপট পুরস্কার বিতরণ হয়েছে।

দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে Gbazee-র অবস্থান স্পষ্ট: বিনোদন হোক, আসক্তি নয়। এই মূল্যবোধ থেকেই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা রাখা হয়েছে। সাপোর্ট টিমকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা কোনো সদস্যের মধ্যে সমস্যার লক্ষণ দেখলে সহায়তা দিতে পারেন।

Gbazee-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় আছে আরও বেশি স্থানীয় ইভেন্ট কভারেজ, উন্নত মোবাইল অ্যাপ এবং আরও বেশি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য বিশেষ সুবিধা। কারণ Gbazee শুধু বাংলাদেশে ব্যবসা করে না — Gbazee বাংলাদেশের জন্য তৈরি।

"আমরা চাই প্রতিটি সদস্য Gbazee-কে একজন বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো মনে করুক — যে সবসময় সৎ, সবসময় পাশে থাকে এবং কখনো ঠকায় না।"

— Gbazee প্রতিষ্ঠাতা দল

আমাদের মূল দল

Gbazee-র পেছনে থাকা বিশেষজ্ঞরা যারা প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কাজ করছেন।

রাশেদ আহমেদ
Chief Executive Officer
১৫ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশে মোবাইল পেমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পথিকৃৎ। Gbazee-কে বাংলাদেশের #১ বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার মূল কারিগর।
সুমাইয়া খান
Chief Technology Officer
আন্তর্জাতিক গেমিং টেক কোম্পানিতে ১০ বছর। Gbazee-র মোবাইল-ফার্স্ট আর্কিটেকচার ও রিয়েল-টাইম অডস সিস্টেমের মূল ডিজাইনার।
তানভীর হোসেন
Head of Sports
সাবেক জাতীয় ক্রিকেট বিশ্লেষক। Gbazee-র ক্রিকেট অডস মডেল এবং বাংলাদেশ ম্যাচের বিশেষ কভারেজ তার হাতে তৈরি।
নাজমা বেগম
Head of Customer Success
১২০ জনের বাংলা সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। গড় রেসপন্স টাইম ৩ মিনিটের নিচে রাখার রেকর্ড তার নেতৃত্বে তৈরি।

বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি

Gbazee-কে নির্ভরযোগ্য করে তোলার পেছনে যে ব্যবস্থাগুলো কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক লাইসেন্স

Gbazee আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। প্রতি বছর তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে লাইসেন্স নবায়ন হয় — এটা নিয়মিত স্বচ্ছতা ও সততার প্রমাণ।

256-bit SSL এনক্রিপশন

প্রতিটি সংযোগ ব্যাংক-গ্রেড এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। লগইন থেকে পেমেন্ট — সব ডেটা এনক্রিপ্টেড। আপনার তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে ভাগ করা হয় না।

যাচাইকৃত RNG সিস্টেম

সব গেমের র‍্যান্ডম নম্বর জেনারেটর স্বাধীন অডিটরদের দ্বারা নিয়মিত পরীক্ষিত ও সার্টিফাইড। ফলাফলে কোনো কারচুপির সম্ভাবনা নেই।

আলাদা ফান্ড সংরক্ষণ

সদস্যদের ব্যালেন্স Gbazee-র অপারেশনাল ফান্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কোম্পানির যেকোনো পরিস্থিতিতেও আপনার টাকা সুরক্ষিত।

KYC যাচাই সুরক্ষা

পরিচয় যাচাইকৃত ব্যক্তি ছাড়া কেউ আপনার একাউন্ট থেকে উইথড্রাওয়াল করতে পারবে না। Two-factor authentication অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়।

দায়িত্বশীল গেমিং প্রতিশ্রুতি

ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সেশন টাইম লিমিট সবসময় সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আমরা বিনোদনকে সমর্থন করি, আসক্তিকে নয়।

সংখ্যায় Gbazee

প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে লক্ষো সদস্যের বিশ্বাস এবং আমাদের টিমের অক্লান্ত পরিশ্রম।

ক্রিকেট বেটিং জনপ্রিয়তা৪৮%
ফুটবল বেটিং৩০%
জ্যাকপট ও ক্যাসিনো১৫%
ই-স্পোর্টস ও অন্যান্য৭%
৳৫০০ কোটি+
মোট পেআউট (২০২৬)
৩ মিনিট
গড় উইথড্রাওয়াল সময়
১,২০০+
মাসিক ম্যাচ কভারেজ
৯৯.৯৭%
আপটাইম নিশ্চয়তা
Gbazee পরিবারে যোগ দিন — ২০০% ওয়েলকাম বোনাস পান!

৫০ লাখ সদস্যের সাথে যোগ দিন। প্রথম ডিপোজিটে ২০০% বোনাস এবং ৫০টি ফ্রি স্পিন — শুধু নতুন সদস্যদের জন্য।

এখনই নিবন্ধন

প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন

টুর্নামেন্ট ও বেট সেটেলমেন্ট সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

Gbazee-র লিডারবোর্ড প্রতিযোগিতায় পয়েন্ট গণনার পদ্ধতি প্রতিটি ইভেন্টের বিবরণে স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। সাধারণ নিয়ম হলো: নির্দিষ্ট সময়কালে (সাধারণত ১ সপ্তাহ বা ১ মাস) প্রতিটি যোগ্য বেটের নেট মুনাফার উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট তৈরি হয়। যোগ্য বেট বলতে সাধারণত সর্বনিম্ন ১.৫০ অডসের বেট বোঝায় — এটা কোনো ইভেন্টের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে সাধারণত KYC যাচাইকৃত একাউন্ট থাকতে হয়। পুরস্কার বিতরণ প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার ৪৮–৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয় এবং সরাসরি বেটিং ওয়ালেটে জমা হয়। একাধিক একাউন্ট বা বোনাস অপব্যবহারের চেষ্টা করলে সেই একাউন্ট টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়বে। বিস্তারিত শর্তাবলী প্রতিটি টুর্নামেন্টের পেজে পাওয়া যায়।

ম্যাচ বাতিল বা মাঝপথে বন্ধ হলে Gbazee নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। প্রি-ম্যাচ বেটের ক্ষেত্রে: ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই বাতিল হলে সব বেট void করা হয় এবং সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। ক্রিকেটে: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়মে যদি ম্যাচ ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে সেই ফলাফলই বৈধ এবং বেট সেই অনুযায়ী সেটেল হয়। যদি ম্যাচের নির্দিষ্ট ওভার না হওয়ায় কোনো ফলাফল না আসে, তাহলে বেট void হয় এবং অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। ফুটবলে: ম্যাচ ৯০ মিনিট না হলে সাধারণত void হয়, তবে কমপক্ষে ৭৫ মিনিট হলে ফলাফল বৈধ ধরা হয় (কিছু মার্কেটে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য)। লাইভ বেটের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ ম্যাচ সম্পন্ন হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে সেটেলমেন্ট হয়। বিস্তারিত নিয়ম নিয়ম ও শর্তাবলী পেজে পাওয়া যায়।

Gbazee পরিবারের অংশ হন

৫০ লাখ সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। ২০০% ওয়েলকাম বোনাস, ৫০ ফ্রি স্পিন এবং বাংলাদেশের সেরা অডস — সব এক জায়গায়।

English